চিড়া দই এর উপকারিতা - স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর সকালের নাশতা
চিড়া-দই বাঙালির ঐতিহ্যবাহী এবং অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি খাবার। এই সহজ প্রস্তুতিযোগ্য নাশতা আপনাকে সারাদিনের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি ও পুষ্টি সরবরাহ করে।
কাদের জন্য উপকারী
যারা সকালে তাড়াহুড়ো করেন তাদের জন্য চিড়া-দই আদর্শ কারণ এটি খুব দ্রুত তৈরি হয়। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান এমন ব্যক্তিদের জন্য এটি উপকারী কারণ এতে কম ক্যালরি থাকে কিন্তু পেট ভরে যায়। হজমের সমস্যায় ভুগছেন এমন মানুষদের জন্য দই-এর প্রোবায়োটিক বিশেষ উপকারী। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলেও চিড়া-দই খেতে পারেন কারণ এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম।
সাবধানতা
ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স থাকলে চিড়া-দই এড়ান অথবা ল্যাকটোজ ফ্রি দই ব্যবহার করুন। চিনি বা মিষ্টি বেশি দেবেন না কারণ এতে অপ্রয়োজনীয় ক্যালরি যুক্ত হয়। সবসময় তাজা দই ব্যবহার করুন। পেট খারাপ থাকলে এই সময় চিড়া-দই এড়িয়ে চলুন। অতিরিক্ত ঠান্ডা দই এড়ান কারণ এতে সর্দি কাশি বাড়তে পারে।
সঠিক পরিমাণ ও নিয়ম
১ কাপ (৫০ গ্রাম) চিড়ার সাথে ১/২ কাপ (১০০ মিলি) দই মিশিয়ে নিন। সকালের নাশতায় দৈনিক ১ বার খান। সাথে কলা, আম বা বিভিন্ন বাদাম যোগ করতে পারেন যা আরও পুষ্টিকর করবে। রাতে চিড়া ভিজিয়ে রাখলে সকালে নরম হয়ে খেতে সুবিধা হয়।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
অতিরিক্ত সেবনে পেট ফাঁপা ও গ্যাসের সমস্যা হতে পারে। ল্যাকটোজ সংবেদনশীলতা থাকলে ডায়রিয়া হতে পারে। বাসি দই খেলে পেট খারাপ ও বমির সমস্যা হতে পারে। অতিরিক্ত খেলে ওজন বাড়তে পারে।
চিড়া-দই একটি সম্পূর্ণ সুষম নাশতা যা আপনাকে দীর্ঘক্ষণ তৃপ্ত রাখবে এবং সারাদিনের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি যোগাবে।